নিঃশব্দ ভোরে যখন কুয়াশা নামে
পৃথিবী যেন নিজের ভেতর ডুবে যায়
ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশিরবিন্দু
আকাশের অদেখা অশ্রুর মতো ঝরে পড়ে।
কে লিখে যায় এই অনন্ত সবুজের গল্প?
কোন অদৃশ্য হাত বুনে দেয় বৃক্ষের শিরায় প্রাণ?
পাতার ফাঁকে ফাঁকে বাতাসের যে গোপন কথা—
সে কি কেবল শব্দ, না কোনো ইশারা অজানার?
নদী বয়ে যায়, জানে না নিজের গন্তব্য
তবু থামে না
হয়তো তার বুকেই লুকানো আছে
সৃষ্টির এক প্রাচীন প্রতিজ্ঞা।
রাতের আকাশে জ্বলে ওঠা নক্ষত্রেরা
কোন অদৃশ্য ভাষায় কথা বলে?
তারা কি জানে, আমরা তাদের দিকে তাকিয়ে
অবিরত নিজেদের হারানো উৎস খুঁজি?
মানুষ, তুমি কি শুধুই মাটির তৈরি শরীর?
না কি তোমার ভেতরে লুকিয়ে আছে
এক অনন্ত আলোর বিন্দু
যা এই মহাবিশ্বেরই প্রতিধ্বনি?
